টিপস ও ট্রিকস

মাত্র 1 মিনিটে বিকাশ একাউন্ট খুলুন

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম, আসসালামু আলাইকুম।আজকের এই পৃথিবীতে প্রত্যেকটি মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে প্রযুক্তি নির্ভর। পৃথিবীতে প্রযুক্তি বিপ্লবের ফলে, পৃথিবী এগিয়ে যাচ্ছে এখন দ্রুত গতিতে। প্রযুক্তির ছোঁয়া আমাদের জীবনকে সহজ করে দিয়েছে। প্রতিদিনের জীবনে প্রত্যেকটি ক্ষেত্রেই প্রযুক্তির ব্যবহার করে থাকে। আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে ও প্রযুক্তির বহু ব্যবহার রয়েছে। কষ্টে উপার্জিত টাকা প্রত্যেক ব্যক্তিই চায় নিরাপদে থাকুক আমার নিজস্ব একাউন্টে। প্রযুক্তি বিপ্লবে আমাদের জন্য যেমন রয়েছে ই-ব্যাংকিং, তেমনি আর্থিক লেনদেনের জন্য রয়েছে নানামুখী পরিষেবা। তেমনি একটি পরিষেবা হচ্ছে  বিকাশ।

বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে সেবা প্রদানের লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে ২০০৭ সাল থেকে বিকাশ গবেষণা মূলক কার্যক্রম শুরু করে। বাংলাদেশের প্রায়শই মানুষ মোবাইল ফোন ব্যবহার করি। এই কারণে কারআএ দেশজুড়ে বিস্তৃত নেটওয়াক ব্যাংকিং সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছানো সম্ভব। মানুষজন যেন সহজেই লেনদেন করতে পারে, এমন ধারণা থেকে বিকাশের কার্যক্রম শুরু হয় ।

 বিকাশ অ্যাপসে পার্সোনাল একাউন্ট

সম্মানিত পাঠকবৃন্দ, অ্যাকাউন্টটি তৈরি করার পূর্বে অবশ্যই আপনাকে গুগল প্লে স্টোর থেকে বিকাশ অ্যাপস ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিতে হবে। আপনারা চাইলে যে কোন অপারেটরের সিমে অ্যাকাউন্টটি করে নিতে পারেন। পার্সোনাল বিকাশ এর মাধ্যমে আপনারা অনলাইনে বিদ্যুৎ বিল, ক্যাশ আউট, সেন্ড মানি, প্রেমেন্ট ইত্যাদি করতে পারেন। আপনারা চাইলে বিকাশে সর্বোচ্চ ৩,০০০০০ টাকা রাখতে পারেন আর-একদিন উত্তোলন করতে পারেন ২৫,০০০ টাকা পর্যন্ত।

বিকাশ অ্যাপস একাউন্ট তৈরীর জন্য প্রয়োজনীয় বিষয় বলি

সম্মানিত পাঠকবৃন্দ বিকাশ অ্যাপস একাউন্ট তৈরীর জন্য যা থাকা প্রয়োজনঃ

  •  সরাসরি আপনার কাছে থাকতে হবে একটি সিম নম্বর।
  • ন্যাশনাল আইডি কার্ড।
  •  এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি( এজেন্ট এর ক্ষেত্রে)।

বিকাশ অ্যাপস এ বিকাশ একাউন্ট তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় নিয়মবলিঃ

সম্মানিত পাঠকবৃন্দ, আপনারা ঘরে বসেই স্মার্টফোনের মাধ্যমে একাউন্ট তৈরি করতে পারেন কয়েক মিনিটে। আপনার নিম্নোক্ত পন্থা ফলো করুন।

  1. অ্যাপসটি  ইন্সটল থাকলে আপনি অ্যাপসে প্রবেশ করুন। প্রথম ধাপে আপনারা লগইন/ রেজিস্ট্রেশন ক্লিক করুন।
  2. সম্মানিত পাঠকবৃন্দ রেজিস্ট্রেশন বাটন ক্লিক করার পর। আপনার কাছে থাকা সরাসরি মোবাইল নম্বরটি প্রদান করুন। অর্থাৎ, আপনি যে সিমে একাউন্ট করতে চান সেই সিমের নাম্বার প্রদান করতে হবে। এবং পার্বতী বাটনে ক্লিক করুন।
  3.  আপনার সিমটি কোন অপারেটরের তা সিলেক্ট করুন।
  4. আপনার হাতে থাকা ফোনটিতে ভেরিফিকেশনের জন্য একটা ফেরতি মেসেজ প্রদান করা হবে। মেসেজটিতে একটি কোড থাকবে উক্ত কোডটি অ্যাপসে প্রদান করুন। আর সেখানে কনফার্ম অপশনে ক্লিক করুন।
  5. এর পরের ধাপে আসল রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্মানিত পাঠকবৃন্দ এখন আপনাদের যা প্রয়োজন তা নিম্নে দেওয়া হলঃ
  • এ পর্যায়ে আপনার একটা ফটো লাগবে। তবে সাবধান! স্টাইলিশ চলবে না। চোখে চশমা ব্যবহার করা বা দাঁড়িয়ে ছবি তোলা যাবে না। কারণ আপনি যে ভোটার আইডি কার্ড প্রদান করবেন তার সাথে মিল রেখে ছবি তুলতে হবে। না হলে একটু প্রবলেম ফেস করতে হবে।
  • এরপর আপনার কাছে থাকা ন্যাশনাল আইডি কার্ডের সম্মুখপৃষ্ঠ এবং পিছনের পৃষ্ঠের  ছবি তুলতে হবে যাতে কোনোভাবেই ঝাপসা বা অস্পষ্ট না হয়।
  • এরপর আপনার আনুষঙ্গিক তথ্য লাগবে।

6. এ পর্যায়ে আপনার ন্যাশনাল আইডি কার্ডটির সম্মুখপৃষ্ঠের ছবি তুলতে হবে। এপ্সটি তে আপনারা দেখতে পারবেন এই অপশনটি।

7. বিকাশ অ্যাপস এর মাধ্যমে তোলা ফটোটি ভালোভাবে চেক করুন। যাতে কোন প্রকার ঝাপসা দেখা না যায় যদি দেখা যায় পুনরায় ফটো তুলুন। কারণ ভেরিফিকেশনের জন্য ঝকঝকে ছবি তুলতে হয়। এবং সাবমিট করুন।

8. পরবর্তীতে ন্যাশনাল আইডি কার্ডের পিছনের অংশের ছবি প্রদান করতে হবে। আপনারা বিকাশ অ্যাপস এ দেখতে পারবেন ন্যাশনাল আইডি কার্ডের পিছনের অংশের ছবি তুলুন।

9.পুনারায় যাচাই-বাছাই করে সাবমিট করুন।

10. পরিচয় পত্র সাবমিট হয়ে গেলে পরবর্তীতে একটি ফর্ম আসবে। ন্যাশনাল আইডি কার্ডটির তত্ত্ব অনুসারে ফরমটি পূরণ করুন। যদি ফরমটি বুঝতে সমস্যা হয় তাহলে অন্য জনের সহায়তা নিন। আর মনে রাখবেন ভুল যেন না হয়, যদি হয় তা সংশোধন করে নিন।

11.  এরপর আরেকটি ফর্ম প্রদান করা হবে। যা আপনার নিজের সম্পর্কে জানতে চাইবে সঠিক তথ্যটি প্রদান করুন। আর পরবর্তী ধাপের জন্য নিবন্ধনটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন।

12. এ পর্যায়ে আপনার একটি  সুন্দর চেয়ে ফটো তুলুন অ্যাপসের সেলফি ক্যামেরা ব্যবহার করে।

13. বিকাশ অ্যাপস প্রদান কৃত তথ্য সমূহ যাচাই-বাছাই করেই নিশ্চিত অপশনে ক্লিক করুন।

পরিশেষে, উপরোক্ত নিয়মগুলো ফলো করুন আর কনফার্ম মেসেজের জন্য অপেক্ষা করুন।

Related Articles

Back to top button