ইসলামিক উক্তি বাণী কিছু কথা

ইসলামিক উক্তি বাণী কিছু কথা। আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা আজকে আমি আপনাদের সাথে কিছু  ইসলামিক উক্তি এবং বাণী শেয়ার করবো। ইসলাম হলো শান্তির ধর্ম। আমি আপনাদের জন্য কিছু ইসলামিক বানী ও উক্তি সংগ্রহ করেছি এবং আমার এই সংগৃহীত ইসলামিক উক্তি ও বানী আশা করি আপনার অনেক ভালো লাগবে এবং কাজে দিবে।

সৎ লোক সাতবার বিপদে পড়লে আবার উঠে কিন্তু অসৎ লোক বিপদে পড়লে একবারে নৃপাত হয়।

—- হযরতসুলায়মান

 

আরও পড়ুন: প্রকৃতি নিয়ে উক্তি

 

“ সব দুঃখের মূল এই দুনিয়ার প্রতি অত্যাধিক আকর্ষণ॥”

—- হযরতআলী(রাঃ)।

 

আরও পড়ুন: সমাজ নিয়ে উক্তি

 

“ বিদ্ধানের কলমের কালি শহীদের রক্তের চেয়েও পবিত্র॥”

—- আল হাদিস।

“ ঝগড়া চরমে পৌঁছার আগেই ক্ষান্ত হও॥”

—- হযরত সোলায়মান (আঃ)।

 

“ আল্লাহর ভয় মানুষকে সকল ভয় হতে মুক্তি দেয়॥”

—- ইবনে সিনা।

 

“ এই পৃথিবী কখনো খারাপ মানুষের খারাপ কর্মের জন্য ধ্বংস হবেনা।যারা খারাপ মানুষের খারাপ কর্ম দেখেও কিছু করেনা তাদের জন্যই পৃথিবী ধ্বংস হবে॥”

 

অসৎ লোক কাউকে সৎ মনে করেনা, সকলকেই সে নিজের মত ভাবে।

—- হজরত আলী (রাঃ)

 

পূর্ণ অর্জন অপেক্ষায়, পাপ বর্জন করা শ্রেষ্ঠতর।

—- হজরত আলী (রাঃ)

 

“ সে ব্যক্তি মুমিন নয় যে নিজে তৃপ্তি সহকারে আহার করে, অথচ তার প্রতিবেশী অনাহারে থাকে॥”

—- আল হাদিস।

 

আমি আল্লাহকে সবচেয়ে বেশি ভয় পাই।তারপর সেই মানুষকে ভয় পাই যে আল্লাহকে মোটেই ভয় পায়না।

—- শেখ সাদী

 

নিচ লোকের প্রধান হাতিয়ার হচ্ছে অশ্লীল বাক্য।

—- হযরত আলী (রা)

 

যে নিজের মর্যাদা বোঝেনা অন্যেও তার মর্যাদা দেয় না!

—- হযরত আলী (রাঃ)

 

পাঁচটি ঘটনার পূর্বে পাচটি জিনিসকে মূল্যবান মনে করবেঃ তোমার বৃদ্ধ বয়সের পূর্বে তোমার যৌবনকে, ব্যাধির পূর্বে স্বাস্থ্যকে, দরিদ্রতার পূর্বে সচ্ছলতাকে, কর্মব্যস্ততার পূর্বে অবসরকে এবং মৃত্যুর পুর্বে জীবনকে।

—- আল হাদিস

 

সব দুঃখের মূল এই দুনিয়ার প্রতি অত্যাধিক আকর্ষণ।

—- হযরত আলী (রাঃ)

অসৎ লোকের ধন– দৌলত পৃথীবিতে সৃষ্ট জীবের বিপদ– আপদের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

—- হযরত আলী (রঃ)

 

অভ্যাসকে জয় করাই পরম বিজয়।

—- হযরত আলী(রঃ)

 

বেলাল বিন রাবাহ(রহ.) বলেন: “পাপ ছোট কিনা তা দেখনা বরং দেখ যার অবাধ্যতা করছ তিনি কত বড়।

যখন অনেক উঁচু স্তরে পৌঁছে যাও তখন নিচের দিকে তাকাও যেন দেখতে পাও কারা তোমাকে এপর্যায়ে পৌঁছতে সাহায্য করেছে।আর আকাশের দিকে তাকাও যেন আল্লাহ তোমার পদযুগল স্থিররাখেন। অর্থাৎ যেন আল্লাহ তোমার এ মর্যাদা ধরে রাখেন।

 

তোমার শক্তি মত্তা যখন তোমাকে অন্যায়–অবিচারের দিকে আহবান করে তখন আল্লাহর শক্তি মত্তারকথাস্মরণকর।

 

আরো পড়ুন: বন্ধুত্ব নিয়ে উক্তি

 

লোকমান (রহ বলেন: মানুষ যখন গর্ব করে সুন্দরভাবে কথা বলার মাধ্যমে; তুমি তখন গর্ব কর নীরবতা সহকারে অন্যের কথা সুন্দরভাবে শোনার মাধ্যমে।

জনৈক জ্ঞানী বলেন: সব কিছুই ছোট আকারে শুরু হয় পাপ ছাড়া। কারণ, কেউ বড় পাপ করতে শুরু করলে আস্তে আস্তে তা তার নিকট ছোট মনে হয়। আর কোন কিছু অতিরিক্ত হলে তার মূল্য কমে যায় আদব বা ভদ্রতা ছাড়া। কারণ, আদব যতই বৃদ্ধি পায় তার মূল্য ততই বেড়ে যায়।

“ স্ত্রীলোকদের ব্যাপারে তোমরা কল্যাণের উপদেশ গ্রহণ কর। কেননা তাদেরকে তৈরীই করা হয়েছে পাঁজরের হাড় থেকে, আর পাজরের যা সবচেয়ে বক্র তা উপরের অংশে থাকে। তুমি যদি তা সোজা করতে যাও তবে তা ভেঙ্গে যাবে। আর যদি এমনি ছেড়ে দাও তবে তা চিরদিন বক্রই থেকে যাবে। অতএব, তাদের ব্যাপারে কল্যাণের অসিয়ত গ্রহণ কর। ”
—- আল হাদিস

“ যা তুমি নিজে করো না বা করতে পারো না, তা অন্যকে উপদেশ দিও না ”
—- হযরত আলী (রাঃ)

“ স্ত্রীলোকদের ব্যাপারে তোমরা কল্যাণের উপদেশ গ্রহণ কর। কেননা তাদেরকে তৈরীই করা হয়েছে পাঁজরের হাড় থেকে, আর পাজরের যা সবচেয়ে বক্র তা উপরের অংশে থাকে। তুমি যদি তা সোজা করতে যাও তবে তা ভেঙ্গে যাবে। আর যদি এমনি ছেড়ে দাও তবে তা চিরদিন বক্রই থেকে যাবে। অতএব, তাদের ব্যাপারে কল্যাণের অসিয়ত গ্রহণ কর। ”
—- আল হাদিস

“ পাচটি ঘটনার পূর্বে পাচটি জিনিসকে মূল্যবান মনে করবেঃ তোমার বৃদ্ধ বয়সের পূর্বে তোমার যৌবনকে, ব্যাধির পূর্বে স্বাস্থ্যকে, দরিদ্রতার পূবে সচ্ছলতাকে, কর্মব্যস্ততার পূর্বে অবসরকে এবং মৃত্যুর পুর্বে জীবনকে ”
—- আল হাদিস

“ উহাই শ্রেষ্ঠ দান যাহা হৃদয় হইতে উৎসারিত হয় এবং রসনা হইতে ক্ষরিত হইয়া ব্যথিতের ব্যথা দূর করে ”
—- আল হাদিস

যখন অনেক উঁচু স্তরে পৌঁছে যাও তখন নিচের দিকে তাকাও যেন দেখতে পাও কারা তোমাকে এপর্যায়ে পৌঁছতে সাহায্য করেছে।আর আকাশের দিকে তাকাও যেন আল্লাহ তোমার পদযুগল স্থিররাখেন। অর্থাৎ যেন আল্লাহ তোমার এ মর্যাদা ধরে রাখেন।

 

তোমার শক্তি মত্তা যখন তোমাকে অন্যায়–অবিচারের দিকে আহবান করে তখন আল্লাহর শক্তি মত্তারকথাস্মরণকর।

 

আরো পড়ুন: বন্ধুত্ব নিয়ে উক্তি

 

লোকমান (রহ বলেন: মানুষ যখন গর্ব করে সুন্দরভাবে কথা বলার মাধ্যমে; তুমি তখন গর্ব কর নীরবতা সহকারে অন্যের কথা সুন্দরভাবে শোনার মাধ্যমে।

জনৈক জ্ঞানী বলেন: সব কিছুই ছোট আকারে শুরু হয় পাপ ছাড়া। কারণ, কেউ বড় পাপ করতে শুরু করলে আস্তে আস্তে তা তার নিকট ছোট মনে হয়। আর কোন কিছু অতিরিক্ত হলে তার মূল্য কমে যায় আদব বা ভদ্রতা ছাড়া। কারণ, আদব যতই বৃদ্ধি পায় তার মূল্য ততই বেড়ে যায়।

“ স্ত্রীলোকদের ব্যাপারে তোমরা কল্যাণের উপদেশ গ্রহণ কর। কেননা তাদেরকে তৈরীই করা হয়েছে পাঁজরের হাড় থেকে, আর পাজরের যা সবচেয়ে বক্র তা উপরের অংশে থাকে। তুমি যদি তা সোজা করতে যাও তবে তা ভেঙ্গে যাবে। আর যদি এমনি ছেড়ে দাও তবে তা চিরদিন বক্রই থেকে যাবে। অতএব, তাদের ব্যাপারে কল্যাণের অসিয়ত গ্রহণ কর। ”
—- আল হাদিস

“ যা তুমি নিজে করো না বা করতে পারো না, তা অন্যকে উপদেশ দিও না ”
—- হযরত আলী (রাঃ)

“ স্ত্রীলোকদের ব্যাপারে তোমরা কল্যাণের উপদেশ গ্রহণ কর। কেননা তাদেরকে তৈরীই করা হয়েছে পাঁজরের হাড় থেকে, আর পাজরের যা সবচেয়ে বক্র তা উপরের অংশে থাকে। তুমি যদি তা সোজা করতে যাও তবে তা ভেঙ্গে যাবে। আর যদি এমনি ছেড়ে দাও তবে তা চিরদিন বক্রই থেকে যাবে। অতএব, তাদের ব্যাপারে কল্যাণের অসিয়ত গ্রহণ কর। ”
—- আল হাদিস

“ পাচটি ঘটনার পূর্বে পাচটি জিনিসকে মূল্যবান মনে করবেঃ তোমার বৃদ্ধ বয়সের পূর্বে তোমার যৌবনকে, ব্যাধির পূর্বে স্বাস্থ্যকে, দরিদ্রতার পূবে সচ্ছলতাকে, কর্মব্যস্ততার পূর্বে অবসরকে এবং মৃত্যুর পুর্বে জীবনকে ”
—- আল হাদিস

“ উহাই শ্রেষ্ঠ দান যাহা হৃদয় হইতে উৎসারিত হয় এবং রসনা হইতে ক্ষরিত হইয়া ব্যথিতের ব্যথা দূর করে ”
—- আল হাদিস

“ সত্য লোকের নিকট অপ্রিয় হইলেও তাহা প্রচার কর ”
—- আল হাদিস

“ আল্লাহ তায়ালার ভয়ে তুমি যা কিছু ছেড়ে দিবে, আল্লাহ তোমাকে তার চেয়ে উত্তম কিছু অবশ্যই দান করবেন ”
—- আল হাদিস

“ সে ব্যক্তি মুমিন নয় যে নিজে তৃপ্তি সহকারে আহার করে, অথচ তার প্রতিবেশী অনাহারে থাকে ”
—- আল হাদিস

“ কৃপণ ব্যক্তি খোদা হইতে দুরে, লোকসমাজে ঘৃণিত ও দোজখের নিকটবর্তী ”
—- আল হাদিস

“ ধৈর্য এমন একটি গাছ, যার সারা গায়ে কাটা কিন্তু ফল অত্যন্ত মজাদার ”
—- আল হাদিস

“ তোমরা মদপান থেকে বিরত থাক। কেননা এটি যাবতীয় অপকর্মের চাবি। ”
—- আল হাদিস

“ কোন মুমিন পুরুষ যেন কেন মমিন স্ত্রীকে তাচ্ছিল্য ও অবজ্ঞা না করে। তার আচার আচরনের কোনো একটি অপছন্দনীয় হলেও অন্যটি সন্তোষজনক হতে পারে। ”
—- আল হাদিস

“ যে ব্যক্তি মানুষকে দয়া করে না, আল্লাহ তায়ালা তাহার উপর রহমত বর্ষণ করে না ”
—- আল হাদিস

“ ইফতার পর্যন্ত রোজাদারের জন্য ফেরেশতারা দোয়া করেন ”
—- আল হাদিস

“ রোজাদারের জন্য প্রতিদিন জান্নাতকে সজ্জিত করা হয় ”
—- আল হাদিস

“ রমজানের শেষ রাতে সকল উম্মতকে মাফ করা হয় ”
—- আল হাদিস

“ রমজান জাহান্নাম থেকে রক্ষা পাওয়ার ঢাল ”
—- আল হাদিস

“ রমজান গুনাহ মোচনের অন্যতম মাধ্যম ”
—- আল হাদিস

“ রোজা কিয়ামতের দিন মুমিন ব্যক্তির জন্য শুপারিশকারী হবে ”
—- আল হাদিস

“ রোজার পুরষ্কার আল্লাহ নিজ হাতে প্রদান করবেন ”
—- আল হাদিস

“ রোজার মাধ্যমে আচার-আচরণ ও চরিত্র সুন্দর হয় ”
—- আল হাদিস

“ রোজা মানুষকে আখেরাত মুখী করে ”
—- আল হাদিস

“ রমজান সামাজিক সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ব বোধ সৃষ্টি করে ”
—- আল হাদিস

“ রমজান আল্লাহর ইবাদতের এক অভূতপূর্ব ট্রেনিং স্বরুপ ”
—- আল হাদিস

“ ঈমান না এনে তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবেনা ”
—- আল হাদিস

“ সালাত জান্নাতের চাবি ”
—- আল হাদিস

“ তোমরা তোমাদের কথা গোপনে বল অথবা প্রকাশ্যে বল, তিনিতো ( আল্লাহ) অন্তরের বিষয়াদি সম্পর্কে সম্যক অবগত ”
—- আল হাদিস

“ ধনের যদি সদ্ব্যবহার করা হয়, তবে ইহা সুখের কারণ এবং সদুপায়ে ধনবৃদ্ধি করিতে সকলেই বৈধভাবে চেষ্টা করিতে পারে। ”
—- আল হাদিস

“ পার্থিব বস্তুর আধিক্যকে ধন বলা যায় না। মানসিক সন্তোষই প্রধান ধন। ”
—- আল হাদিস

“ ধণী হওয়া ধনের উপর নির্ভর করে না, নির্ভর করে মনের তৃপ্তির উপর ”
—- আল হাদিস

“ দারিদ্র্যের আক্রমণ থেকে নিজেকে রক্ষা করো। কেননা ইহার অভিশাপ মানুষকে কাফেরে পরিনত করে। ”
—- আল হাদিস

“ অযাচিত দানই দান, চাহিলে অনেক সময় চক্ষুলজ্জায় লোকে দান করে, কিন্তু তা দান নহে ”
—- হযরত আলী (রাঃ)

“ কার্পণ্য ত্যাগ করো নতুবা তোমার আপনজনরা তোমার জন্য লজ্জিত হবে এবং অপরে তোমাকে ঘৃণা করবে ”
—- হযরত আলী (রাঃ)

“ মানুষের সাথে তাদের বুদ্ধি পরিমাণ কথা বলো ”
—- হযরত আলী (রাঃ)

“ অভ্যাসকে জয় করাই পরম বিজয় ”
—- হযরত আলী (রাঃ)

“ বুদ্ধিমানেরা কোনো কিছু প্রথমে অন্তর দিয়ে অনুভব করে, তারপর সে সম্বন্ধে মন্তব্য করে। আর নির্বোধেরা প্রথমেই মন্তব্য করে বসে এবং পরে চিন্তা করে। ”
—- হযরত আলী (রাঃ)

“ বুদ্ধিমান ও সত্যবাদী ব্যক্তি ছাড়া আর কারো সঙ্গ কামনা করো না ”
—- হযরত আলী (রাঃ)

“ যা সত্য নয় তা কখনো মুখে এনো না । তাহলে তোমার সত্য কথাকেও লোকে অসত্য বলে মনে করবে ”
—- হযরত আলী (রাঃ)

“ হীনব্যক্তির সম্মান করা ও সম্মানীয় ব্যক্তির অপমান করা একই প্রকার দোষের ”
—- হযরত আলী (রাঃ)

“ বড়দের সম্মান কর, ছোটরা তোমাকে সম্মান করবে ”
—- হযরত আলী (রাঃ)

“ পাপ লুকানোর চেষ্টা করে কোনোদিন সফলকাম হতে পারে না। পাপের কথা স্বীকার করে যদি কেউ তা ত্যাগ করার চেষ্টা করে তবে তার পক্ষে সফলতা লাভ করা স্বাভাবিক ”
—- হযরত আলী (রাঃ)

“ সব দুঃখের মূল এই দুনিয়ার প্রতি অত্যাধিক আকর্ষণ ”
—- হযরত আলী (রাঃ)

“ যে নিজে সতর্কতা অবলম্বন করে না, দেহরক্ষী তাকে বাঁচাতে পারে না ”
—- হযরত আলী (রাঃ)

“ অসৎ লোক কাউকে সৎ মনে করে না, সকলকেই সে নিজের মতো ভাবে ”
—- হযরত আলী (রাঃ)

Leave a Comment