অনলাইনে সার্টিফিকেট বা সনদ পত্র সংশোধন করবেন কিভাবে? সার্টিফিকেট সংশোধন করার পুরো গাইডলাইন

আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় হচ্ছে অনলাইনে সার্টিফিকেট বা সনদপত্র সংশোধনের নিয়ম। আপনারা যারা এই সমস্যায় ভুগতেছেন তাদের জন্য আমার এই আজকের আর্টিকেলটি গুরুত্বপূর্ণ হতে চলছে, তাই মনোযোগ দিয়ে পড়বেন। অনলাইনে সার্টিফিকেট বা সনদ পত্র সংশোধন করবেন কিভাবে? সার্টিফিকেট সংশোধন করার পুরো গাইডলাইন

 

 

আমাদের অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, মূল সার্টিফিকেট বা সনদপত্রে কিছু ইনফরমেশন চলে আসে। কারো ক্ষেত্রে নিজের নাম, পিতা বা মাতার নাম বানান ও বয়স ভুল হয়ে যায়। সে ক্ষেত্রে আমরা বিভিন্ন জায়গায় নানা রকম সমস্যা ফেস করে থাকি। এমন ঝামেলায় যেন আর পড়তে না হয় সেজন্য খুব সহজেই সার্টিফিকেট অনলাইনের মাধ্যমে সংশোধন করতে পারবেন। তাহলে চলুন কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাকঃ-

 

 

 

সার্টিফিকেট বা সনদপত্র সংশোধনের পুরো গাইডলাইন

প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ, আপনি যে শিক্ষা বোর্ড থেকে পরীক্ষা দিয়েছেন সেই শিক্ষা বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট প্রবেশ করুন। সেখান থেকে নাম ও বয়স সংশোধন যে অপশনটি আছে সেখানে ক্লিক করুন। পরবর্তীতে একটি ফরম দেখতে পারবেন তা সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে।

 

 

 

সার্টিফিকেট সংশোধন করতে যা প্রয়োজন

পত্রিকায় বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে

প্রথম ধাপে আপনাকে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে হবে।  বিজ্ঞাপনে আপনি যা উল্লেখ করবেন তা হচ্ছে আপনার নাম, পরীক্ষার নাম,রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, পরীক্ষার সাল এবং শিক্ষা বোর্ডের নাম। আপনি কি সংশোধন করতে চান তা সেখানে উল্লেখ করতে হবে। আপনি যদি পিতা-মাতার নাম আপনার নাম সংশোধন করতে চান সেটাও সেখানে উল্লেখ করতে হবে।

 

 

 

নোটারি পাবলিক বা এফিডেভিট

দ্বিতীয় পর্যায় আপনি চাইলে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে এফিডেভিট করতে পারবেন। আর এর জন্য প্রয়োজন আপনার বয়স 18 থাকতে হবে।  আর যদি আবার বয়স 18 বছর বয়স পূর্ণ হয় তাহলে আপনি তা নিজেই করতে পারবেন। আর 18 বছরের কম হলে আইনজীবীর সহায়তা গ্রহণ করতে হবে। আইনজীবীর মাধ্যমে এফিডেভিট করতে হবে এক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে পারিশ্রমিক আদায় করতে হবে।

 

 

 

সার্টিফিকেট বা সনদপত্র সংশোধনীয় খরচ সমূহ

সার্টিফিকেট সংশোধনের ক্ষেত্রে খরচ কয়েকটি বিষয়ের উপর নির্ভর করবে। অনলাইনের মাধ্যমে সংশোধন করলে একদফা খরচ, সরাসরি সার্টিফিকেট সংশোধন করলে আরেক দফা খরচ, এবং যদি দালালের খপ্পরে পড়েন তাহলে তো আরো বেশি খরচ।  আর যদি আপনি নিজেই সার্টিফিকেট সংশোধন করতে পারেন তাহলে বিভিন্ন উপায় খরচ থেকে রেহাই পাবেন। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাকঃ-

 

 

১। এফিডেভিট করতে সম্ভাব্য খরচ 500 টাকা ।

২।পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য সম্ভাব্য খরচ 500 টাকা এর মধ্যে কিছুটা কম বা বেশি হতে পারে।

৩। আবেদন ফি 558 টাকা আদায় করতে হবে প্রতিটি আলাদা সার্টিফিকেটের জন্য।  আর যদি আপনি এসএসসি কিংবা এইচএসসি সার্টিফিকেট সংশোধন করতে চান তাহলে সেক্ষেত্রে এত টাকা আদায় করতে হবে

৪। আবেদন ফি আপনাকে ১১১৬ টাকা দিতে হবে তাহলে সর্বমোট খরচ দাঁড়ায় প্রায় সাড়ে তিন হাজারের মত। তবে বিভিন্ন বোর্ডের হিসেবে খরচ তারতম্য হতে পারে।

 

 

 

সার্টিফিকেট সংশোধন ফরম

আপনি সংশোধনকৃত ফর্ম অনলাইন থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন। এজন্য আপনাকে বাংলাদেশ সরকারের ফরম বিষয়ক ওয়েবসাইটে ঢুকে সকল আবেদন পত্র ফরম সেখানে পাওয়া যায়। আর ওয়েবসাইটের ঠিকানা হলো https://forms.gov.bd।

 

 

 

এই ওয়েবসাইটে ভিজিট করার মাধ্যমে আপনি বাংলাদেশের সকল ধরনের ফরম তুলতে পারবেন। নির্দিষ্ট ক্যাটাগরিতে সার্চ করার মাধ্যমে এক ক্লিকের মাধ্যমে সার্টিফিকেট বা সংশোধনী ও সনদপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন।

 

 

 

পিতা মাতার নাম সংশোধনের জন্য আবেদনপত্র পূরণ করুন

অনেক সময় দেখা যায় আমাদের সার্টিফিকেটে পিতা মাতার নাম সঠিক ভাবে থাকে না। ভুল তথ্য দেওয়া থাকে সেগুলো সংশোধনের জন্য আমাদের আবেদন করা লাগে। তবে সঠিক নিয়ম জানেনা এমনটা বললে তো হবে না, তাই জানতে হবে।

 

 

সে কারণে আমরা আপনাকে দেখাতে চলছে কিভাবে পিতা মাতার নাম সংশোধন করে আবেদনপত্রটি সম্পন্ন করবেন। আবেদনপত্রটি লেখা খুবই সহজ, শুধুমাত্র নির্দিষ্ট ফরমে প্রয়োজনীয় তথ্য উপস্থাপন করলেই হল একটি আবেদনপত্র লেখা। অনলাইনে সার্টিফিকেট বা সনদ পত্র সংশোধন করবেন কিভাবে? 

Leave a Comment